মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। ১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সালের উপর্যপরি ভয়াবহ বন্যার পর বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সনে জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ক্রুগ মিশন এর সুপারিশক্রমে এতদঞ্চলের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষে ১৯৫৯ সনে পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠন করা হয়। বর্তমান বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) ইপিওয়াপদা এর পানি উইং হিসেবে দেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে কৃষি ও মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রধান সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম আরম্ভ করে । এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা জেলায় সর্ব প্রথম বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস স্থাপিত হয়। সাতক্ষীরা একটি অবহেলিত, দূর্যোগপূর্ণ, বন্যা কবলিত লবনাক্ত উপকূলীয় এলাকা। এ উপকূলীয় এলাকাকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, কৃষি জমি সম্প্রসারণ ও লবনাক্ততার হাত থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরা বিভাগ-২ এর আওতাধীন ৭টি পোল্ডার উপকূলীয় বাঁধ প্রকল্প এর মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়। নিম্নে ৭টি পোল্ডারের বিস্তারিত বিবরণঃ

পোল্ডার নং- ২ ও ২ (সম্প্রসারণ)

সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলায় অবস্থিত। পূর্বে বেতনা নদী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে মরিচ্চাপ নদী দ্বারা বেষ্টিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৩ইং এবং সমাপ্তি ১৯৮৩ইং।

বিনিয়োগ : ১৮০.০০ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ১১,২৯৬ হেক্টর।

বাঁধ : ৬২.৯৫০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ২১টি।

খাল : ৬৫.২২০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং- ৪

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি, দেবহাটা ও কালিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। উত্তরে মরিচ্চাপ, পূর্ব-দক্ষিণে খোলপেটুয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমে- গলঘেষিয়া, হাবড়া নদী দ্বারা বেষ্টিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬২ইং এবং সমাপ্তি ১৯৮৩ইং।

বিনিয়োগ : ১৪৮.৩৯ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ১০,৫০০ হেক্টর।

বাঁধ : ৮০.০০০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ২৬টি।

খাল : ৭০.০০০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং- ৬-৮ ও ৬-৮ (সম্প্রসারণ)

সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর, তালা ও আশাশুনি উপজেলায় অবস্থিত। পূর্বে কপোতাক্ষ নদ, দক্ষিণে মরিচ্চাপ এবং পশ্চিমে বেতনা নদী দ্বারা বেষ্টিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য : বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৪ইং এবং সমাপ্তি ১৯৮০ইং।

বিনিয়োগ : ১৭২.১২ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ১৫,৪৫০ হেক্টর।

বাঁধ : ৬৬.৩৩০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ২৮টি।

খাল : ১৮২.০০০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং- ৭/১

 সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় অবস্থিত। পূর্বে কপোতাক্ষ নদ, দক্ষিণ-পশ্চিমে খোলপেটুয়া নদী দ্বারা বেষ্টিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য : বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৫ইং এবং সমাপ্তি ১৯৮৩ইং।

বিনিয়োগ : ১০৭.২১ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ৩,৮৮৭ হেক্টর।

বাঁধ : ৩৪.২১০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ৯টি।

খাল : ২৮.৫০০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং- ৭/২

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় অবস্থিত। পূর্বে কপোতাক্ষ নদ, পশ্চিমে খোলপেটুয়া এবং উত্তরে বেতনা নদী দ্বারা বেষ্টিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য : বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৫ইং এবং সমাপ্তি ১৯৬৯ইং।

বিনিয়োগ : ৯৮.০৭ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ১০,৪৮৬ হেক্টর।

বাঁধ : ৫৯.৫৯০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ১৫টি।

খাল : ৪৫.১০০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং-১৩-১৪/২

খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় অবস্থিত। উত্তরে কয়রা নদী, পুর্বে শাখবাড়ীয়া নদী, পশ্চিমে কপোতাক্ষ নদ দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে ১৪/১ নং পোল্ডারের সহতি সংযুক্ত অবস্থায় অবস্থিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য : বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৭ইং এবং সমাপ্তি ১৯৭০ইং।

বিনিয়োগ : ১৮৪.০৮ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা : ১৭,৮৬৪ হেক্টর।

বাঁধ : ৯১.৭৭০ কিঃমিঃ।

স্লুইস : ১৬টি।

খাল : ৭৪.০০০ কিঃমিঃ।

পোল্ডার নং- ১৪/১

খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় অবস্থিত। পূর্বে শাখবাড়ীয়া নদী, পশ্চিমে কপোতাক্ষ নদ, দক্ষিণে আড়পাঙ্গাশিয়া নদী দ্বারা বেষ্টিত এবং উত্তরে ১৩-১৪/২ নং পোল্ডারের সহতি সংযুক্ত অবস্থায় অবস্থিত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, লবনাক্ততা রোধ।

বাস্তবায়ন কাল : শুরু ১৯৬৭ইং এবং সমাপ্তি ১৯৭০ইং।

বিনিয়োগ: ৭৮.৯০ লক্ষ টাকা।

উপকৃত এলাকা: ২,৯৩৩ হেক্টর।

বাঁধ: ২৭.৩৭০ কিঃমিঃ।

স্লুইস: ৪টি।

খাল: ১৬.০০০ কিঃমিঃ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter